1. [email protected] : admin2021 :
  2. [email protected] : Sports Zone : Sports Zone
মঙ্গলবার, ১০ মে ২০২২, ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন

ফুটবলাররা পেটালেন দর্শক, মাঠে নিরাপত্তাকর্মীর অভাব

  • আপডেট সময় সোমবার, ২৩ আগস্ট, ২০২১
  • ৫১ বার পড়া হয়েছে

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে চ্যাম্পিয়ন ও রেলিগেশন নিশ্চিত হয়েছে কয়েক রাউন্ড বাকি থাকতেই। এখন প্রিমিয়ার লিগের আকর্ষণ বলতে শুধু রানার্সআপ কে হচ্ছে সেটি দেখার অপেক্ষা। আগের ম্যাচ হেরে অবনমন নিশ্চিত হয়েছে ব্রাদার্স ইউনিয়নের। অবনমিত হয়েই প্রিমিয়ার ফুটবল লিগে ২২তম ম্যাচে এসে ১ পয়েন্টের দেখা পেয়েছে কমলা জার্সিধারীরা। বিপরীতে টানা দুই জয়ের পর ব্রাদার্সের সাথে পয়েন্ট হারিয়েছে শেখ জামাল। শনিবার (২১ আগস্ট) গোলশূন্য ড্র হওয়া সেই ম্যাচে আলোচনার জন্ম দিয়েছে সমর্থক ও ফুটবলারদের মধ্যে তুমুল মারামারি।

 

 

এদিকে তুমুল এই মারামারির সাক্ষী হয়েছেন জাতীয় ফুটবল দলের কোচ জেমি ডে। প্রতিদিনই বঙ্গবন্ধু স্টেডিয়ামে বসে প্রিমিয়ার লিগের ম্যাচ দেখেন জেমি। শনিবারেও ছিলেন স্টেডিয়ামের ভিআইপি গ্যালারিতে। ঘটনার শুরু ম্যাচের শেষ দিকে এসে। বক্সের বাইরে একটা ফ্রি–কিক পায় শেখ জামাল। ওই সময় সামনে দাঁড়িয়ে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন ব্রাদার্সের নাঈম হোসেন। মেজাজ হারিয়ে তাঁকে ধাক্কা দিয়ে বসেন শেখ জামালের ফজলে রাব্বি। ধাক্কা খেয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন নাঈম। এটা দেখে দ্রুত নাঈমকে তুলে দাঁড় করানোর চেষ্টা করেন রাব্বি। কিন্তু ওই সময় রাব্বিকে মারতে এগিয়ে আসেন ব্রাদার্সের ফুটবলাররা। এসময় দুই দলের ফুটবলাররা হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন।

রেফারি ভুবন মোহন তরফদার হলুদ কার্ড দেন শেখ জামালের রাব্বি ও শাকিল আহমেদকে আর ব্রাদার্সের নাঈমকে। খানিক পরই কর্নার পায় শেখ জামাল। কিন্তু কর্নার শেষ না করেই রেফারি শেষ বাঁশি বাজিয়ে দেন। এতে ক্ষুব্ধ শেখ জামালের সহকারী কোচ হাসান আল মামুন ও অন্য কয়েকজন ফুটবলার রেফারিদের ঘিরে ধরেন মাঠে। করোনাকালে দর্শকশূন্য গ্যালারিতে খেলা হচ্ছে। এর মধ্যেও ভিআইপি বক্স এবং এনক্লোজারে কয়েকজন দর্শক ও ক্লাব সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গরা থাকেন। শেখ জামালের ফুটবলারদের এমন আচরণে গ্যালারি থেকে ব্রাদার্সের সমর্থকেরা গালাগালি করতে থাকেন শেখ জামালের ডিফেন্ডার রেজাউলসহ অন্যদের। ওই সময় ড্রেসিংরুমে ঢুকছিলেন রেজাউল। কিন্তু মেজাজ হারিয়ে রেজাউল গ্যালারিতে ঢুকে মারতে শুরু করে দেন সমর্থকদের। ব্রাদার্সের সমর্থকেরাও রেজাউলসহ অন্য ফুটবলারদের সঙ্গে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন। পাশে দাঁড়ানো কয়েকজন বাফুফের কর্মকর্তারা ফুটবলারদের থামাতে চেষ্টা করেন। শেষ পর্যন্ত ব্রাদার্সের ম্যানেজার আমের খান ও শেখ জামালের কর্মকর্তারা মিলে দুই দলের ফুটবলারদের শান্ত করেন।

 

 

 

 

 

ম্যাচ শেষে আমের খান সব দোষ দিলেন রেফারিকে, আমার ফুটবলারকে বল ছাড়া ধাক্কা দিলেও রেফারি কেন লাল কার্ড দেখায়নি শেখ জামালের কাউকে? বড় দলের বিপক্ষে পয়েন্ট পাওয়ার জন্য সময় কাটানোর চেষ্টা ম্যাচের শেষ দিকে সব সময়ই হয়। কিন্তু তাই বলে কেউ এভাবে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিতে পারে না। শেখ জামাল আজ মাঠে যা করেছে, এটা ফুটবলের জন্য লজ্জার।

অপরদিকে শেখ জামাল ম্যানেজার আশরাফ উদ্দিন আহমেদ চুন্নুর বলেন, ফ্রি–কিক নেওয়ার সময় ওদের ফুটবলার বারবার সামনে দাঁড়িয়ে সময় নষ্ট করছিল। মাঠে অহেতুক পড়ে গিয়ে সময় নষ্ট করছিল। এ জন্য আমার একজন ফুটবলার দৌড়ে তাকে তুলতে গিয়েছিল। যাতে ম্যাচের সময় নষ্ট না হয়। কিন্তু ওরা গ্যালারি থেকে এভাবে গালাগালি করে মোটেও ভালো কাজ করেনি।

 

 

 

 

 

ম্যাচে এত উত্তেজনা, মারামারি কিন্তু মাঠে পুলিশ সংখ্যা ছিল খুবই কম। পুলিশ থাকলে পরিস্থিতি এতটা সংকটাপন্ন হতো না। বাফুফে থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী ম্যাচে পুলিশ ছিলেন মাত্র ২-৩ জন। তারা অধিকসংখ্যক পুলিশের চাহিদা পাঠালেও কর্তৃপক্ষের অনুমোদনের অভাবে স্বল্প সংখ্যক পুলিশ দিয়ে খেলা পরিচালিত করছে।

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2021 SportsZonebd
Theme Customized By BreakingNews