1. [email protected] : admin2021 :
  2. [email protected] : Sports Zone : Sports Zone
মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০২২, ১২:২৮ পূর্বাহ্ন

কোভিড থেকে সুস্থ হতে মেনে চলুন কিছু খাদ্যাভ্যাস

  • আপডেট সময় বুধবার, ১৮ আগস্ট, ২০২১
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

শীত উপভোগ করতে ও শরীর সুস্থ রাখার জন্য তাই খাদ্যতালিকায় রাখা চাই পুষ্টীকর খাবার সংগৃহীত

শুধু বয়স্করাই নয় কিশোর-কিশোরীরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলেও পরবর্তীতে তাদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা যায়

 

 

 

করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পেলেও এর ক্ষতিগুলো সহজে পূরণ হয় না। কোভিড নেগেটিভ আসলেই পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠা হয়না। এর পরবর্তীতেও শরীরে নানান ধরনের সমস্যা কিংবা রোগের উপদ্রব দেখা দেয়।

শুধু বয়স্করাই নয় কিশোর-কিশোরীরা করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে পরবর্তীতে তাদের মধ্যে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক জটিলতা দেখা যায়। তাই পুষ্টিকর ও প্রয়োজনীয় খাবার গ্রহণের ক্ষেত্রে আমাদের বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে।

 

 

ভাইরাসের কারণে আমাদের হারিয়ে ফেলা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আবার ফিরিয়ে আনতে অবশ্যই স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করা প্রয়োজন। এতে করে আমাদের শরীর শক্তি পাবে পাশাপাশি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বৃদ্ধি পাবে।

খেতে হবে ফল ও শাকসবজি:

কম বয়সী ছেলেমেয়েরা একদমই ফল ও শাকসবজি খেতে চায় না। মহামারীর এই সময়ে ফল ও শাকসবজির কোনো বিকল্প নেই। তাই প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে ফল ও শাকসবজি

যেহেতু, ফল ও শাকসবজিতে প্রচুর আঁশ ও পুষ্টিগুণ বিদ্যমান তাই, শক্তি ও পুষ্টি দুটোই পাওয়া যাবে। এছাড়া ফলের বিভিন্ন রেসিপি বানিয়েও খাবারের মধ্যে ভিন্নতা আনা সম্ভব।

করোনাকালে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি:

সব বয়সের মানুষের শরীরেই রয়েছে ক্যালসিয়ামের ঘাটতি। হাড় ও মাংসপেশি গঠনের জন্য ক্যালসিয়াম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগীদের শরীরের ক্যালসিয়ামের ঘাটতি দেখা দেয়। তাই সুস্থ হয়ে উঠলেও প্রতিনিয়ত ক্যালসিয়াম জাতীয় খাবার যেমন- দুধ, পনির, চিজ, দইজাতীয় খাবার খেতে হবে। যা কিনা শরীরের ক্যালসিয়ামের ঘাটতি কমিয়ে আনবে।

 

 

 

 

প্রোটিনের ঘাটতি:

আমরা সকলেই কম বেশি জানি যে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হলে প্রোটিন জাতীয় খাবার খাওয়া প্রয়োজন। এমনকি সুস্থ হলেও দুর্বলতা ও শারীরিক জটিলতা থেকে সুরক্ষা পাওয়ার জন্য আমাদের প্রোটিন জাতীয় খাবার খেতে হবে। তার মধ্যে- মাছ, মাংস, ডিম, দুধ, বাদাম, সয়া, সবজি খাওয়া বাধ্যতামূলক।

ক্যালরির পরিমাণ বৃদ্ধি:

করোনাভাইরাসের থেকে সুস্থতা পাওয়ার পর শারীরিক দুর্বলতা অনেকটা সময় থেকে যায়। তাই বেশি ক্যালরি সম্পন্ন খাবার যেমন: ভাত, আলু, মিষ্টি আলু, হোল গ্রেইন বা শস্যদানাযুক্ত খাবার, সবজি, ওটস এগুলো বেশি করে খেতে হবে।

আয়রনের ঘাটতি:

আয়রনজাতীয় খাবার শরীরের রোগ প্রতিরোধ করতে সহায়তা করে। করোনাভাইরাসের পরবর্তীতে অনেকের শরীরে রক্তস্বল্পতা দেখা দেয়। তাই, আয়রনজাতীয় শাকসবজি, যেমন পালংশাক, কচুশাক, লতি ইত্যাদি খাবার খেতে হবে। এতে করে শরীরে আয়রনের ঘাটতি কমবে।

 

 

ভিটামিন সি ও ডি:

ভিটামিন সি ও ডি আমাদের শরীরের জন্য খুবই দরকাচচর। করোনাকালে ভিটামিন সি ও ডি জাতীয় খাবারগুলোকে সবচাইতে বেশি প্রাধান্য দেয়া হয়। লেবু, কমলা, টমেটোজাতীয় খাবারে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে এবং মাছে ও দুধজাতীয় খাবারে পরিমাণে ভিটামিন ডি পাওয়া যায়। এছাড়াও সূর্যের আলো আমাদের শরীরে ভিটামিন ডি এর তৈরি করতে সাহায্য করে।

 

 

শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর
© All rights reserved © 2021 SportsZonebd
Theme Customized By BreakingNews